ভারতের বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজ জন্মদিবস...
রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় (এপ্রিল ১২, ১৮৮৫ – মে ২৩, ১৯৩০) ভারতের বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ। তিনি আর. ডি. ব্যানার্জি নামে অধিক[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] পরিচিত। ১৯১১ সালে তিনি ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণে যোগ দেন। ১৯২২ সালে তিনি হরপ্পা সংস্কৃতির প্রধান কেন্দ্র মহেঞ্জোদাড়ো পুনরাবিষ্কার করেন। ১৯২৬ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন।
বনগাঁর ছয়ঘরিয়া গ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে তাঁর জন্ম হলেও বনগাঁর সঙ্গে কীভাবে তাঁদের সম্পর্ক তৈরি হল তা নিয়ে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে রয়েছে যথেষ্ট মতভেদ। রাখালবাবুর বাবা মতিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন প্রথিতযশা আইনজীবী। তাঁর মা কালীমতিদেবী ছিলেন কোচবিহার রাজার দেওয়ানের মেয়ে। অনেকের মতে, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও মীর জাফরের সৈন্যদল বহরমপুর জুড়ে লুটতরাজ শুরু করায় বাধ্য হয়ে কালীমতিদেবীকে নিয়ে পারিবারিক ভৃত্য ছয়ঘরিয়া এলাকার আত্মীয় বাড়িতে চলে আসেন। সেখানে নতুন করে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের বাড়ি তৈরি হয়। আবার আর একদল বলেন, আগের যুগের নিয়ম অনুযায়ী কন্যাকে বিয়ে দেওয়ার পর তাঁকে বাপের বাড়িতে আনা যেত না। ছয়ঘরিয়া গ্রামে কালীমতিদেবীর বাপের বাড়ি স্থানান্তর হয়ে এসেছিল। মেয়েকে বাড়িতে আনার জন্য নিজের বাড়ি ও জমির একাংশ মতিলালবাবুকে লিখে দিয়েছিলেন কালীমতিদেবীর বাবা। এই দুই তত্ত্বই মানতে নারাজ বনগাঁর অনেক মানুষই। তাঁদের দাবি মতিলালবাবুরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির থেকে এই এলাকার জমিদারি নিয়েছিলেন। তাঁরা তিন ভাই পৃথক ঘর তৈরি করিয়েছিলেন ছয়ঘরিয়া এলাকায়।
Comments
Post a Comment